যা বোঝা দরকার

প্রতিটি পদক্ষেপ, শ্বাস এবং চারপাশের পরিবেশ লক্ষ্য করে কয়েক মিনিটের হাঁটাকে মাইন্ডফুলনেস অনুশীলনে বদলে নিন।

হাঁটা ধ্যানের উদ্দেশ্য অনেক দূর যাওয়া বা যতটা সম্ভব ধীরে হাঁটা নয়। শরীর চলার সময় তার অভিজ্ঞতাকে স্পষ্টভাবে জানা এই অনুশীলনের মূল বিষয়। পা মাটিতে লাগা, ওজন সরা, শ্বাস এবং চারপাশের শব্দ লক্ষ্য করুন। মন পরিকল্পনা বা অন্য চিন্তায় চলে গেলে সেটি কোমলভাবে বুঝে বর্তমান পদক্ষেপে ফিরে আসুন। দীর্ঘ সময় স্থির বসে থাকা কঠিন মনে হলে এটি সহজে শুরু করার মতো একটি ধ্যান পদ্ধতি।

কীভাবে সাধনা করবেন

নিরাপদ ও তুলনামূলক শান্ত পথ বেছে নিয়ে প্রায় দশ মিনিটের টাইমার দিন। কয়েকটি শ্বাস স্থির দাঁড়িয়ে দুই পা মাটিতে থাকার অনুভূতি নিন, তারপর স্বাভাবিক বা একটু ধীর গতিতে হাঁটা শুরু করুন। পা তোলা, সামনে নেওয়া এবং মাটিতে রাখার প্রক্রিয়া লক্ষ্য করুন। কয়েক মিনিট পর পা, পুরো শরীর, শ্বাস এবং শব্দে মনোযোগ প্রসারিত করুন। পথের শেষে থেমে সচেতনভাবে ঘুরুন। মন সরে গেলে হাঁটার শারীরিক অনুভূতিতে ফিরে আসুন।

ছোট করে শুরু করুন, মানানসই গতি বেছে নিন, আর কাল আবার ফেরার অনুমতি নিজেকে দিন।

  1. অল্প সময় বেছে নিন, যেমন পাঁচ মিনিট।
  2. প্রয়োজনে ধীর হোন এবং কী ঘটছে লক্ষ করুন।
  3. একটি ঘণ্টা বা একটি সচেতন নিঃশ্বাসে শেষ করুন।

একটি কাজের অনুস্মারক

সব সময় পায়ের দিকে তাকিয়ে থাকা বা অস্বাভাবিক ধীরে হাঁটার দরকার নেই। বাইরে অনুশীলনের সময় যানবাহন, অন্য মানুষ এবং পথের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থেকে নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিন। করিডর বা ছোট ঘরে সামনে পিছনে হেঁটেও অনুশীলন করা যায়। লক্ষ্য নিখুঁত একাগ্রতা নয়, বরং মন কোথায় গেছে তা বারবার বুঝে বর্তমান পদক্ষেপে ফিরে আসা।

সাধনার জন্য মোকুগ্যো খুলুন

প্রতিটি পদক্ষেপ, শ্বাস এবং চারপাশের পরিবেশ লক্ষ্য করে কয়েক মিনিটের হাঁটাকে মাইন্ডফুলনেস অনুশীলনে বদলে নিন।

সাধনার জন্য মোকুগ্যো খুলুন